⚠️ নোট: নিচে উল্লিখিত মাত্রাগুলো সাধারণ নির্দেশনা। রোগীর বয়স, শারীরিক অবস্থা ও লক্ষণের তীব্রতা অনুযায়ী অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সর্বদা উত্তম।
লক্ষণভিত্তিক ঔষধ নির্বাচন
Aconitum napellus
লক্ষণ: হঠাৎ ঠান্ডা বাতাসে আক্রান্ত হয়ে সর্দি, অস্থিরতা, ভয়
মাত্রা: 30C – দিনে ২–৩ বার, ১–২ দিন
Allium cepa
লক্ষণ: নাক দিয়ে পানি পড়ে, চোখ জ্বালা করে, হাঁচি
মাত্রা: 30C – দিনে ২ বার
Nux vomica
লক্ষণ: রাতে নাক বন্ধ, সকালে সর্দি বাড়ে
মাত্রা: 30C – রাতে ১ ডোজ
Bryonia alba
লক্ষণ: শুষ্ক কাশি, নড়াচড়ায় বাড়ে, বুক ব্যথা
মাত্রা: 30C – দিনে ২ বার
Hepar sulphuris
লক্ষণ: ঠান্ডা বাতাসে কাশি বাড়ে, কফ উঠতে চায় না
মাত্রা: 30C – দিনে ২ বার
Antimonium tartaricum
লক্ষণ: বুক ভরা কফ, উঠতে কষ্ট
মাত্রা: 30C – দিনে ২ বার
Belladonna
লক্ষণ: হঠাৎ জ্বর, মুখ লাল, মাথা ব্যথা
মাত্রা: 30C – দিনে ২–৩ বার (উপসর্গ কমলে বন্ধ)
Gelsemium
লক্ষণ: জ্বরের সঙ্গে দুর্বলতা, ঘুম ঘুম ভাব
মাত্রা: 30C – দিনে ২ বার
Eupatorium perfoliatum
লক্ষণ: জ্বরের সঙ্গে শরীর ভাঙা ব্যথা
মাত্রা: 30C – দিনে ২ বার
Arsenicum album
লক্ষণ: রাতে শ্বাসকষ্ট বাড়ে, অস্থিরতা
মাত্রা: 30C – দিনে ১–২ বার
Ipecacuanha
লক্ষণ: কাশি ও শ্বাসকষ্ট, বমি ভাব
মাত্রা: 30C – দিনে ২ বার
Natrum sulphuricum
লক্ষণ: ঠান্ডা ও স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় সমস্যা
মাত্রা: 30C – দিনে ১ বার
Rhus toxicodendron
লক্ষণ: বিশ্রামে ব্যথা বাড়ে, নড়াচড়ায় আরাম
মাত্রা: 30C – দিনে ২ বার
Bryonia alba
লক্ষণ: নড়াচড়ায় ব্যথা বাড়ে, বিশ্রামে আরাম
মাত্রা: 30C – দিনে ২ বার
Calcarea carbonica
লক্ষণ: ঠান্ডায় ব্যথা বাড়ে, দুর্বলতা
মাত্রা: 30C – দিনে ১ বার
Petroleum
লক্ষণ: ঠান্ডায় ত্বক ফেটে রক্ত পড়ে
মাত্রা: 30C – দিনে ১ বার
Graphites
লক্ষণ: শুষ্ক, খসখসে ত্বক
মাত্রা: 30C – দিনে ১ বার
Chamomilla
লক্ষণ: সর্দি-কাশির সঙ্গে খিটখিটে ভাব
মাত্রা: 30C – দিনে ১–২ বার
Pulsatilla
লক্ষণ: ঠান্ডা লাগার পর সর্দি, নরম স্বভাব
মাত্রা: 30C – দিনে ১ বার
30C পটেন্সি সাধারণত নিরাপদ ও বহুল ব্যবহৃত
উপসর্গ কমে গেলে ঔষধ বন্ধ করতে হবে
একসাথে একাধিক ঔষধ না দেওয়া উত্তম
দীর্ঘস্থায়ী রোগে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি
শৈত্য প্রবাহজনিত রোগে লক্ষণ অনুযায়ী সঠিক হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নির্বাচন করলে দ্রুত আরোগ্য সম্ভব। হোমিওপ্যাথির মূল শক্তি হলো—ব্যক্তিভেদে লক্ষণ বিচার। তাই একই রোগে ভিন্ন ভিন্ন রোগীর জন্য ভিন্ন ঔষধ প্রয়োজন হতে পারে। সচেতনতা ও সঠিক চিকিৎসাই শীতকাল সুস্থভাবে কাটানোর মূল চাবিকাঠি।